২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছুটি বে’র পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হলেন শিল্পপতি সালাউদ্দিন চৌধুরী

‘ছুটি বে’র পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হলেন শিল্পপতি সালাউদ্দিন চৌধুরী

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

দেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে নির্মাণাধীন অন্যতম বৃহৎ বিলাসবহুল হোটেল প্রকল্প ‘ছুটি বে’র পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হয়েছেন শিল্পপতি ও তরুণ উদ্যোক্তা সালাউদ্দিন চৌধুরী।

রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর ছুটি হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদে যোগ দেন। এ সময় ছুটি গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পর্যটন নগরী কক্সবাজারের কলাতলীতে ২০২৬ সালে ‘ছুটি বে’ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু করে ছুটি গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা ও আধুনিক হসপিটালিটি সেবার সমন্বয়ে প্রকল্পটিকে সাত তারকা মানের একটি বিলাসবহুল হোটেল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য বিশ্বমানের আবাসন, আতিথেয়তা ও পর্যটন সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্তিশালীভাবে উপস্থাপন করাই ‘ছুটি বে’র অন্যতম লক্ষ্য।

পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হওয়ার পর সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশের পর্যটন খাতে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজারকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন ও হসপিটালিটি অবকাঠামো তৈরির বড় সুযোগ রয়েছে। ‘ছুটি বে’ সেই সম্ভাবনাকে সামনে রেখে গড়ে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।”

তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক মান ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে হোটেলটি নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে কাজ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। আশা করি, প্রকল্পটি বাংলাদেশের হসপিটালিটি খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।”

সালাউদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি বিলাসবহুল হোটেল নির্মাণ করা নয়; এমন একটি পর্যটন গন্তব্য তৈরি করা, যেখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা আন্তর্জাতিক মানের সেবা ও বাংলাদেশের আতিথেয়তার সমন্বিত অভিজ্ঞতা পাবেন। একই সঙ্গে প্রকল্পটি নতুন কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করছি।”

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে হোটেলটির চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ তারিক মাহমুদ এবং নারী উদ্যোক্তা মাকসুদা চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্টরা বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের টেকসই বিকাশের জন্য আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো, উন্নত হসপিটালিটি সেবা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কক্সবাজারে উচ্চমানের পর্যটন অবকাঠামো গড়ে উঠলে দেশি পর্যটকদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছেও এই অঞ্চলকে আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

ছুটি গ্রুপ দেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে পর্যটকদের জন্য উন্নত সেবা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারের কলাতলীতে ‘ছুটি বে’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ‘ছুটি বে’র নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে প্রকল্পটি কক্সবাজারের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে নতুন মাত্রা যোগ করার পাশাপাশি দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক পর্যটক আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্পর্কিত খবর

সর্বাধিক পঠিত