রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার কমিটির (২০২৬-২০২৮) প্রথম সভা বৃহস্পতিবার রিহ্যাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান ও রিহ্যাব পরিচালক এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কমিটির কো-চেয়ারম্যান কর্নেল মো. মঈনুল হক (অব.), কো-চেয়ারম্যান আলহাজ এম. এ. বাতেন চৌধুরী এবং সদস্য মো. শাকিরুজ্জামান ভূঁইয়া, মো. বরকত উল্লাহ ও লায়ন মো. ইকবাল হোসেন।
সভায় রিহ্যাবের সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, বিস্তৃত ও সদস্যবান্ধব করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার তহবিলের পরিমাণ বাড়িয়ে ১ কোটি টাকা করার উদ্যোগ গ্রহণ। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, স্বনামধন্য হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, এয়ারলাইন্স, বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ, হোটেল এবং অন্যান্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে রিহ্যাব সদস্যদের জন্য বিশেষ ছাড় ও বিভিন্ন সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া পুলিশের ব্যবহারের জন্য রিহ্যাবের দেওয়া গাড়িগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা, রিহ্যাবের উদ্যোগে নির্মিত সাইক্লোন সেন্টারের সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার তহবিলের জন্য প্রতিশ্রুত এক বিঘা জমি পরিদর্শনের মাধ্যমে সেখানে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে রিহ্যাবের দেওয়া বেডগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ, দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করা এবং বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
নির্মাণশিল্পে নিয়োজিত শ্রমিক ও কর্মীদের কল্যাণেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে কমিটি। কর্মস্থলে দুর্ঘটনা, জরুরি চিকিৎসা কিংবা মানবিক সংকটের মুখোমুখি হলে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার কমিটি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের আবাসন খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনের ক্ষেত্রেও রিহ্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। সদস্যসেবা বৃদ্ধি, মানবিক সহায়তা সম্প্রসারণ এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও সুসংগঠিত ও টেকসই করতে সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার কমিটি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।











